ইন্টারনেট ব্যবহারে শিশুকে নিরাপদ রাখবেন যেভাবে

৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২২ ২০:৩৭  
শিশুকে এখন আর ইন্টারনেট থেকে দূরে রাখার কোনো সুযোগ নেই। আবার ভালে-মন্দ বোঝার বয়স হয়নি ভেবে তার জন্য যদি ইন্টারনেটের দুয়ার বন্ধ করা হয় তবে নিষিদ্ধতার আকর্ষণে ঘটে যেকে পারে আরো বড় ধরনের বিপদ। এক্ষেত্রে তাকে নিয়েই এক সঙ্গে ইন্টারনেট দুনিয়ায় বিচরণ করাটাই হবে বুদ্ধিমানের কাজ। তবে তাকে ইন্টারনেট সংযোগ দিয়ে একেবারে ছেড়ে দেয়া যাবে না। এ জন্য অবশ্যই শিশুর ইন্টারনেট যুক্তর ডিভাইসটির পর্দা যেনো দৃশ্যমান পর্যায়ে থাকে তা নিশ্চিত করতে হবে। একা একা বা গোপনে ইন্টারনেট ব্যবহারের পথে সে যেন হাঁটতে শুরু না করে সে বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে। সর্বোপরি বেধে দেয়া যেতে পারে ইন্টারনেট ব্যবহারের সময় সীমা।
ইউনিসেফ এর জরিপ অনুযায়ী, ২৫ শতাংশের মতো শিশু ১১ বছর বয়সের আগেই ইন্টারনেট বিশ্বে প্রবেশ করেছে। ৪৯ শতাংশ মা-বাবার স্মার্টফোন এবং ৩৭ শতাংশ নিজেদের ফোন ব্যবহার করে। ব্যবহারের দিক দিয়ে ছেলেরা এগিয়ে, ৬৩ শতাংশ। শিশুদের ইন্টারনেট কর্মকাণ্ডের মধ্যে সবচেয়ে বেশি হয় চ্যাট ও ভিডিও দেখা।
এক্ষেত্রে প্যারেন্টাল কন্ট্রোল ই-মেইল অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করতে পারেন।  শিশুদের যে ডিভাইসটি দিচ্ছেন সেটিতে প্যারেন্টাল কন্ট্রোল ই-মেইল অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করুন। এতে শিশু কী দেখছে তার সে বিষয়টি আর গোপন থাকবে না। আর ফোনে চাইল্ড ভার্সন অপশনটি ব্যবহার করুন। আপনার সন্তান যে ডিভাইসটি ব্যবহার করছে সেটিতে সিকিউরিটি অ্যাপগুলো ইন্সটল করে রাখুন। এতে আপনার শিশু যদি কোনো অ্যাডাল্ট সাইটে ঢোকে তাহলে তা আপনাকে সতর্ত করবে। পাশাপাশি ফেসবুক এবং মেসেঞ্জার এর ক্ষেত্রে ইন্টারনেটের চাইল্ড ভার্সন আছে। সেক্ষেত্রে বাচ্চাদের একটি অ্যাকাউন্ট তৈরি করে দেয়া যায় যেটি তারা ব্যবহার করলেও অভিভাবকদের সুপারভাইজ করার সুযোগ থাকে। ইন্টারনেট সংযোগ নেয়া ক্ষেত্রে যে আইএসপি কোম্পানির কাছ থেকে ইন্টারনেট সংযোগটি নেওয়া হচ্ছে তাদের বাচ্চাদের জন্য সেফ ইন্টারনেটের ফিচারটি আছে কি না সেটি যাচাই করে নিন। এবং এই ফিচারটি চালু করে রাখতে অনুরোধ করুন।